Top Ad unit 728 × 90

আপনার বিজ্ঞাপনটি দিতে ইমেইল করুন - worldhindutimesbd@gmail.com

শিরোনাম

{getPosts} $results={6} $label={recent}

মাটির নিচে মিলল মূর্তি, কেটে ভাগ করল ৩ কিশোর

 

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে গাব ফল পাড়তে গিয়ে মাটির নিচে ধাতব গণেশ মূর্তি পাওয়াকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় এক কেজি ওজনের সোনালি রঙের ওই মূর্তিটিকে ‘সোনা’ মনে করে তিন কিশোর রড কাটার ব্লেড দিয়ে কেটে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (২০ মে) দুপুরে উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের গণিপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।


বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এলাকাজুড়ে কৌতূহল, রহস্য ও নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের কেউ কেউ এটিকে পুরোনো প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বলেও ধারণা করছেন।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (২০ মে) দুপুরে গণিপুর গ্রামের আকরাম হোসেনের ছেলে সাজু হোসেন তার বন্ধু মিনহাজ ও রব্বানীকে নিয়ে বাড়ির পাশের একটি মণ্ডপ সংলগ্ন জঙ্গলে গাব ফল পাড়তে যায়। গাছ থেকে নামার সময় সাজুর পায়ে মাটির নিচে শক্ত ধাতবজাতীয় কিছু অনুভূত হয়। পরে তিন বন্ধু মাটি খুঁড়ে সোনালি রঙের একটি গণেশ মূর্তি পায়।


প্রথমে বিষয়টি গোপন রাখলেও পরে মূর্তিটি স্বর্ণের হতে পারে—এমন ধারণা থেকে তারা ধনী হওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। মূর্তিটি পুকুরের পানিতে ধোয়ার পর সাজু বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে তিন বন্ধু মিলে রড কাটার ব্লেড দিয়ে মূর্তিটির মাথা ও কানের অংশ কেটে ভাগাভাগি করে নেয় বলে জানা গেছে। শুক্রবার সকালে সাজুর পরিবারের সদস্যরা মিনহাজ ও রব্বানীর বাড়িতে গিয়ে কাটা অংশ ফেরত চাইলে পুরো ঘটনা গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন।


‎এলাকাবাসীর ভাষ্য, মিনহাজ ও রব্বানী মূর্তিটির মাথা ও একটি কান নিজেদের কাছে রাখে। অন্য একটি কান ও মূল দেহাংশ সাজুর কাছে ছিল। পরে সাজুর বড় ভাই সজিব মূর্তিটির অবশিষ্ট অংশ নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও বেড়েছে।


গণিপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজু বলেন, শুক্রবার সকালে বিষয়টি গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে গ্রামজুড়ে ব্যাপক হইচৈই পড়ে যায়। মূর্তিটি পুরোনো বা মূল্যবান ধাতুর হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আবার এটি প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বসম্পন্নও হতে পারে। ‎সাজু হোসেন বলেন, মূর্তিটা দেখতে ভারী আর ধাতব মনে হওয়ায় আমরা বাড়িতে নিয়ে আসি। পরে সেটি স্বর্ণ মনে করে সেটার অংশ কেটে ভাগাভাগি করি। পরে পরিবারের লোকজন বিষয়টি জেনে যায়। তিনি আরও বলেন, আমার বড় ভাই মূর্তির মূল অংশ নিয়ে বাইরে গেছে। সম্ভবত সেটি সোনার কিনা পরীক্ষা করাতেই গেছে। এরপর থেকে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।


‎স্থানীয় ইউপি সদস্য সরদার আয়নাল হোসেন বলেন, গাব পাড়তে গিয়ে তিন কিশোর একটি গণেশ মূর্তি পেয়েছে। সেটা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক শোরগোল চলছে। পরীক্ষা ছাড়া এটি স্বর্ণ কিনা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।


‎আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীন রেজা বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। মূর্তিটির প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব থাকতে পারে। উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

No comments:

অননুমোদিতভাবে কোনও বিষয়বস্তু অনুলিপি করা বা ব্যবহার করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ World Hindu Times All Right Reseved |

Contact Form

Name

Email *

Message *

Theme images by i-bob. Powered by Blogger.