Advertisement

আপনার বিজ্ঞাপনটি দিতে ইমেইল করুন - worldhindutimesbd@gmail.com

শিরোনাম

$results={6} $label={recent}

রাষ্ট্রীয় আয়োজনে চার ধর্মের গ্রন্থ পাঠ: সমালোচনার পর অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক,

নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠের আয়োজন না থাকায় যে সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল, তার প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রীয় আয়োজনে চার ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ পাঠের মধ্য দিয়ে নতুন একটি দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে।

অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে পবিত্র কোরআন, শ্রীমদ্ভগবদগীতা, ত্রিপিটক ও বাইবেল থেকে পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নতুন সরকার গঠনের পর এটিই প্রথম রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান যেখানে চারটি ধর্মের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে শুধুমাত্র পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের ব্যবস্থা রাখা হয়। সেখানে শ্রীমদ্ভগবদগীতা বা অন্যান্য ধর্মীয় গ্রন্থ থেকে পাঠের কোনো আয়োজন না থাকায় সামাজিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা সৃষ্টি হয়।

তবে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ওই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের সূচি প্রস্তুত করেছিল ড. ইউনুসের প্রশাসন এবং এতে বিএনপির কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না।

এ ঘটনায় সাধারণ সনাতনী নাগরিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় ও মানবাধিকারকর্মীরা মত দেন, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে সব ধর্মের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হলে তা দেশের বহুধর্মীয় ও বহুসাংস্কৃতিক চেতনার প্রকৃত প্রতিফলন ঘটায়।

অনেকেই মনে করেন, রাষ্ট্রীয় আয়োজনে কেবল একটি ধর্মীয় পাঠ অন্তর্ভুক্ত করা হলে অন্য ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে বঞ্চনার অনুভূতি তৈরি হতে পারে। তাদের মতে, সংসদের পথচলা যদি সমতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বার্তা দিয়ে শুরু না হয়, তাহলে তা ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিচালনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়াতে পারে।

বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়সঙ্গত প্রতিবাদের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন।

আজকের বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চার ধর্মের গ্রন্থ পাঠকে অনেকে সেই গণআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে সকল ধর্মের প্রতি সমান সম্মান প্রদর্শন দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সাংবিধানিক সমতার চেতনাকে আরও শক্তিশালী করবে।

কোন মন্তব্য নেই:

অননুমোদিতভাবে কোনও বিষয়বস্তু অনুলিপি করা বা ব্যবহার করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ World Hindu Times All Rights Reserved |

World Hindu Times LTD

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.