Top Ad unit 728 × 90

আপনার বিজ্ঞাপনটি দিতে ইমেইল করুন - worldhindutimesbd@gmail.com

শিরোনাম

{getPosts} $results={6} $label={recent}

৩৩০ বছরের ইতিহাস বুকে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে যশোরের চাঁচড়া শিব মন্দির


তিন শতাব্দীর ঐতিহ্যের সাক্ষী যশোরের চাঁচড়া শিব মন্দির, মুগ্ধ করে পোড়ামাটির অপূর্ব কারুকার্য বাংলার প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী, ইতিহাস ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে যশোরের ঐতিহ্যবাহী চাঁচড়া শিব মন্দির। প্রায় ৩৩০ বছরের ইতিহাস বহনকারী এই মন্দিরটি শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয় নয়, বরং বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও এক মূল্যবান সম্পদ।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৬৯৬ সালে তৎকালীন রাজা মনোহর রায়ের উদ্যোগে মন্দিরটি নির্মিত হয়। বাংলার ঐতিহ্যবাহী ‘আটচালা’ স্থাপত্যরীতিতে গড়ে ওঠা এই শিব মন্দিরটি তার অনন্য নকশা ও শিল্পসৌন্দর্যের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

মন্দিরটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এর বাহ্যিক দেয়ালে খচিত পোড়ামাটির (টেরাকোটা) অসাধারণ কারুকার্য। শতাব্দীর পর শতাব্দী পেরিয়ে গেলেও এসব নকশা আজও দর্শনার্থী, গবেষক ও ইতিহাসপ্রেমীদের মুগ্ধ করে চলেছে। টেরাকোটার ফলকে ফুটে উঠেছে তৎকালীন সমাজজীবন, ধর্মীয় অনুষঙ্গ এবং বাংলার শিল্পঐতিহ্যের নানা দিক।

ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব বিবেচনায় বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর মন্দিরটিকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণা করেছে। ফলে এটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর মধ্যে অন্যতম হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্ত, পর্যটক ও ইতিহাস অনুরাগীরা এই প্রাচীন মন্দির পরিদর্শনে আসেন। তাদের কাছে চাঁচড়া শিব মন্দির শুধু একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, বরং বাংলার গৌরবময় ইতিহাস ও স্থাপত্যকলার জীবন্ত দলিল।

যথাযথ সংরক্ষণ ও প্রচারের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক মন্দির আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রেও আরও গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


No comments:

অননুমোদিতভাবে কোনও বিষয়বস্তু অনুলিপি করা বা ব্যবহার করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ World Hindu Times All Right Reseved |

Contact Form

Name

Email *

Message *

Theme images by i-bob. Powered by Blogger.