তাঁর একটি ফেসবুক পোষ্ট এ তিনি
হরে কৃষ্ণ
এই মন্দির টি বাংলাদেশের সকল সনাতনীদের।মন্দিরে ১টি টাকা অবৈধ নাই।যারা বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে বলা শুরু করছেন তাদের অনুরোধ করব মসজিদ আল্লাহর ঘর মন্দির ভগবানের ঘর।মসজিদ মন্দির মানুষের দানের টাকায় তৈরি হয়।শুরু করতে হয় বা একজনের উদ্বেগ নিতে হয় সেটা আমি নিয়েছি।আপনারা এতো লেখালেখি করেন লাভ কি হিন্দু মুসলিম আমরা সবাই পাশাপাশি থাকি।আপনারা আমাকে বলেন ভারতের এজেন্ট,বাংলাদেশ ও ভারতের খেলা হলে বাংলাদেশ বাংলাদেশ বলে গলা ফাটিয়েছি কোথায় ছিলেন তখন।আসলে আমি হরিদাস হিন্দু ধর্ম যে পর্যায়ে পৌঁছাছে সেখান থেকে কিছু টা হলেও দিন দিন জাগ্রত হচ্ছে।যে সকল সনাতনী নেতারা আমার পিছনে লোক লাগিয়ে কিছু একটা করতে চান আমি কিন্তু অসুর বধ করতে জানি।আমাকে থামাতে এসে যেন ভারতে না পালান।আমি এই পথে যখন নামছি জীবনের সব টুকু ধর্মের জন্য ত্যাগ করছি।হিংসা রাগ অভিমান ভুলে আমরা সবাই এক হয়ে নিজের ধর্মের জন্য কাজ করি।নেতা হওয়া মানে একটা ফেসবুকে ওমুক নেতার সাথে ফুল দিয়ে ছবি,এমুক নেতা মারা গেছে,তমুক মারা গেছে তাদের পোস্ট দিয়ে শোকাহত জানানো না,একজন মানুষ নির্যাতিত হওয়ার আগে তাকে স্রেফ করতে হবে।আমি জানি কারা কারা এই গুলো করতেছে,আমি কিন্তু হিন্দু নেতাদের কোন সহযোগিতা পাই নাই।যে সংগঠন গুলো হইছে তাদের কাছে গেলে বড় বড় কথা বলে বিভিন্ন কথা বলে এতো বড় মন্দির হাসপাতাল গুরুকুল করার কি দরকার?।যেখানে আমরা বাঁচতে পারতেছি সেখানে এই গুলো কি দরকার অনেক নেতা আমাকে নিরুৎসাহিত করছে।এই প্রতিষ্ঠান টি এলাকার মানুষের উন্নয়ন মুখী করবে,হিন্দু মুসলিম সৌহার্দ্য বাড়াবে,হয়তো একটু সমস্যা হচ্ছে সেটা সবার ভুল ভাংলে সব কিছু ঠিক হবে।আমার রাত দিন পরিশ্রমের ফল আমি সবার অনুদানে তৈরি করতেছি এই সুন্দর মন্দির টি।সকল সনাতনীরা বলবে আমাদের বাংলাদেশে একটা সুন্দর মন্দির আছে।১ বছরে যে পরিমান দান করছে সকল সনাতনীরা তাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ।আমি মারা যাবো থেকে যাবে যুগের পর যুগ সকল সনাতনী এখানে দর্শন করে যাবে



.png)

%20.png)

No comments: