Top Ad unit 728 × 90

আপনার বিজ্ঞাপনটি দিতে ইমেইল করুন - worldhindutimesbd@gmail.com

শিরোনাম

{getPosts} $results={6} $label={recent}

যিশুর শরীরে জড়ানো পবিত্র কাপড়ে ভারতীয় ডিএনএ!

 

শ্রাউড অব তুরিন’-এ ভারতীয় ডিএনএ! নতুন গবেষণায় চাঞ্চল্য

খ্রিস্টান ধর্মের অন্যতম রহস্যঘেরা নিদর্শন Shroud of Turin নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, এই পবিত্র লিনেন কাপড়ে ভারতীয় উপমহাদেশের ডিএনএর উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

আন্তর্জাতিক প্রি-প্রিন্ট জার্নাল bioRxiv-এ প্রকাশিত গবেষণাপত্র অনুযায়ী, আধুনিক ডিএনএ বিশ্লেষণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাপড়টির ধূলিকণা ও তন্তু পরীক্ষা করেন বিজ্ঞানীরা। এতে দক্ষিণ এশিয়া—বিশেষ করে ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষের জিনগত চিহ্নের মিল পাওয়া যায়।


কী এই ‘শ্রাউড অব তুরিন’?

প্রায় ৪.৪ মিটার দীর্ঘ এই প্রাচীন কাপড়টি বর্তমানে ইতালির Turin শহরের Cathedral of Saint John the Baptist-এ সংরক্ষিত রয়েছে। অনেক খ্রিস্টান বিশ্বাস করেন, ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার পর Jesus Christ-এর দেহ এই কাপড় দিয়ে আবৃত করা হয়েছিল।

কাপড়টিতে এক ক্রুশবিদ্ধ মানুষের অস্পষ্ট প্রতিচ্ছবি দেখা যায়, যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে গবেষক ও ধর্মবিশ্বাসীদের কৌতূহলের কেন্দ্র।


গবেষণায় কী পাওয়া গেল

গবেষকদের মতে—

  • কাপড়ের তন্তুতে ভারতীয় উপমহাদেশের ডিএনএর উপস্থিতি মিলেছে

  • কিছু উদ্ভিদের ডিএনএ শনাক্ত হয়েছে, যেগুলো মূলত ভারতে জন্মায়

  • কাপড়টি তৈরির কাঁচামাল বা সুতা সম্ভবত প্রাচীন ভারত বা Indus Valley অঞ্চল থেকে আসতে পারে

গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন ইতালির University of Padua-এর বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, প্রাচীন বাণিজ্যপথের মাধ্যমে ভারত থেকে সুতা বা কাপড় মধ্যপ্রাচ্য হয়ে ইউরোপে পৌঁছাতে পারে।


বিতর্ক এখনো শেষ হয়নি

তবে এই গবেষণার ফলাফল নিয়ে বিতর্কও কম নয়। ১৯৮৮ সালের কার্বন ডেটিং পরীক্ষায় দাবি করা হয়েছিল, কাপড়টি মধ্যযুগে (১২৬০–১৩৯০ খ্রিস্টাব্দ) ইউরোপেই তৈরি। আবার সাম্প্রতিক কিছু গবেষণা এটিকে ধর্মীয় শিল্পকর্ম বলেও উল্লেখ করেছে।

নতুন ডিএনএ বিশ্লেষণে যদিও ভারত, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও ইউরোপের মিশ্র জিনগত উপাদান পাওয়া গেছে, গবেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন—এটি দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন মানুষের সংস্পর্শে থাকার ফলও হতে পারে।


উপসংহার

‘শ্রাউড অব তুরিন’-এর উৎপত্তি ও সত্যতা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি। তবে নতুন এই গবেষণা প্রাচীন বিশ্বের বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে, যা ভবিষ্যৎ গবেষণায় আরও পরিষ্কার হতে পারে।

No comments:

অননুমোদিতভাবে কোনও বিষয়বস্তু অনুলিপি করা বা ব্যবহার করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ World Hindu Times All Right Reseved |

Contact Form

Name

Email *

Message *

Theme images by i-bob. Powered by Blogger.